লাইফ সাপোর্টে মেঘমল্লার বসুর অবস্থা স্থিতিশীল, তদারকিতে মেডিকেল বোর্ড
লাইফ সাপোর্টে থাকা ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ (এনপিএ)-এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থা এখন অনেকটাই স্থিতিশীল।
এনপিএ’র সেন্ট্রাল কাউন্সিল সদস্য সচিব সজীব তানভীর জানান, মেঘমল্লার বসু শারীরিকভাবে বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে। তার শ্বাসকষ্ট কমে এসেছে এবং কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহের মাত্রা কমিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি তার ‘কনশাসনেস লেভেল’ (সচেতনতার মাত্রা) বাড়ছে। রক্তচাপ, পালসসহ অন্যান্য শারীরিক পরামিতিও বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
মেঘমল্লার বসুর সুচিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সাত সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডে বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ চারজন অধ্যাপক ও তিনজন সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান নিজে পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি তদারকি করছেন।
মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা হলেন-
১. প্রফেসর ডা. মো. শফিকুল বারি (প্রধান, মেডিসিন বিভাগ)
২. প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ মনোয়ার আলী (প্রধান, এমআইসিইউ)
৩. প্রফেসর ডা. হাফিজুর রহমান (মেডিসিন বিভাগ)
৪. প্রফেসর ডা. মো. আমিনুল ইসলাম (রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ)
৫. নাম প্রকাশ না হওয়া আরও ৩ জন সহযোগী অধ্যাপক।
এনপিএ-এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য সজীব তানভীর সার্বক্ষণিকভাবে ঢামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
গত সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট এলাকা থেকে অচেতন অবস্থায় মেঘমল্লার বসুকে উদ্ধার করা হয়। বিষক্রিয়ার আশঙ্কায় প্রথমে তার পাকস্থলী ওয়াশ (Stomach wash) করা হয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে এবং বুধবার সন্ধ্যায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
কেএজেডআইএ/কেএএ/