ওলিসের জোড়ায় ৫ গোলের জয় বায়ার্নের
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ৫৫তম গোল করেছেন। আর মাইকেল ওলিসে করেছেন জোড়া গোল। তাদের নৈপুণ্যে বোদো/গ্লিমটকে সহজেই হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন অভিযান শুরু করেছে বায়ার্ন মিউনিখ।
কিছুদিন আগে খিঁচুনির সমস্যায় ভুগে মাঠ ছেড়েছিলেন জামাল মুসিয়ালা। তবে এখন পুরোপুরি সুস্থ আছেন তিনি। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বোদো/গ্লিমটের বিপক্ষে মৌসুমে নিজের প্রথম গোল উদযাপন করলেন জামাল মুসিয়ালা।
বৃহস্পতিবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বোদো/গ্লিমটকে ৫-০ গোলে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনের ডিফ্লেক্টেড পাস থেকে দ্রুত বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোল করেন মুসিয়ালা। এটিই ছিল চলতি মৌসুমে তার প্রথম গোল।
৪৭ মিনিটে গোলের পর সতীর্থ আলেক্সান্ডার পাভলোভিচের সঙ্গে উদযাপনের সময় মুসিয়ালাকে গ্যালারির দিকে তাকিয়ে বারবার মাথার এক পাশে আঙুল দিয়ে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। এটি ছিল দলেরও প্রথম গোল ম্যাচে।
প্রাক-মৌসুমের টানা দুই ম্যাচে মাঠে পড়ে যাওয়ার পর এদিনই প্রথমবারের মতো বায়ার্নের শুরুর একাদশে ছিলেন দলের তারকা অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। ওই ঘটনাই প্রথমবার প্রকাশ্যে আনে তার স্নায়বিক সমস্যার বিষয়টি, যা মুসিয়ালা ও ক্লাব অন্তত গত মৌসুম থেকেই জানতো।
সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুসিয়ালা জানিয়েছিলেন, তার ‘স্নায়বিক সমস্যার কারণে অ্যাবসেন্স সিজার’ ধরা পড়েছে। তবে এটি তার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয় বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি আগের মতোই ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তবে ওষুধের মাত্রা বাড়ানোর সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং নিজের শারীরিক সমস্যাটি এতটা প্রকাশ্যে চলে আসার ধাক্কা সামলাতে বায়ার্নের হয়ে তিন ম্যাচে বাইরে ছিলেন মুসিয়ালা। কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি জানিয়েছিলেন, তার ওষুধের মাত্রা বাড়ানো হয়েছিল। এরপর শনিবার বুন্দেসলিগায় শালকের বিপক্ষে ০-০ গোলের ড্র ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ফেরেন মুসিয়ালা।
বোদো/গ্লিমটের বিপক্ষে করা গোলটি প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে মুসিয়ালার প্রথম গোল জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ৭-১ গোলের জয়ে গোল করার পর। ওই গোলটি করেছিলেন জুনে।
দ্বিতীয়ার্ধে বাকি ৪ গোল করে বায়ার্ন। ৬১ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে হেড করে গোল করেন কেইন। চ্যাম্পিয়নস লিগে ৭১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫-তে।
এরপর বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে ৭৭ মিনিটে বায়ার্নের হয়ে তৃতীয় গোল করেন আলফোনসো ডেভিস। এরপর অলিসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান আরও বাড়ান। এরপর ওলিসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান আরও বাড়ান।
ম্যাচের শেষ কয়েক মিনিটে বোদো/গ্লিমটের দুর্দশা আরও বাড়ে। ওলিসেকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ওদিন বিয়োরতুফট। যোগ করা সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বায়ার্নের ৫-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন অলিসে।
আইএন


