শিশুর দাঁতের যত্ন কখন থেকে নেওয়া উচিত, জেনে নিন সঠিক সময়

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
​অল্প বয়সে ছোট্ট সোনামণির দাঁত যদি নষ্ট হয়ে যায়, তবে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। দাঁতের যন্ত্রণায় ছোট শিশুরা প্রচণ্ড কান্নাকাটি করে এবং ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। এমনকি কেবল পেট ব্যথা কিংবা দাঁত ব্যথার কারণেই অনেক শিশুর পড়াশোনা ও ফলাফল আশানুরূপ হয় না। তাই প্রতিটি বাবা-মায়ের উ...

​অল্প বয়সে ছোট্ট সোনামণির দাঁত যদি নষ্ট হয়ে যায়, তবে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। দাঁতের যন্ত্রণায় ছোট শিশুরা প্রচণ্ড কান্নাকাটি করে এবং ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। এমনকি কেবল পেট ব্যথা কিংবা দাঁত ব্যথার কারণেই অনেক শিশুর পড়াশোনা ও ফলাফল আশানুরূপ হয় না। তাই প্রতিটি বাবা-মায়ের উচিত শুরু থেকেই শিশুর মুখের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া এবং নিয়মিত দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

কখন এবং কেন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?

শিশুর বয়স চার মাস হওয়ার পর যখন থেকে প্রথম দাঁত উঠতে শুরু করে; ঠিক তখন থেকেই দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় দাঁত ওঠার পরপরই তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ছোট বাচ্চাদের বোতলে ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়ানো পরিহার করা প্রয়োজন, কারণ ফিডারে দুধ খাওয়ালে দাঁত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দুধ খাওয়ার পর শিশুর মুখে তা লেগে থাকলে অ্যাসিড ফারমেন্টেশন হয় এবং এই অ্যাসিড ফারমেন্টেশনের কারণে দাঁত গলে নষ্ট হয়ে যায়।

শিশুর ​দুধের দাঁতের যত্ন নেওয়া কেন জরুরি?

অনেকের মনেই একটি ভুল ধারণা থাকে যে, শিশুর দুধের দাঁত তো একসময় পড়েই যাবে। তাই এতে চিন্তার কী আছে! কিন্তু বাস্তবতা হলো, শিশুর শরীর ও স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে দুধের দাঁত সুস্থ রাখা অপরিহার্য। দাঁতে ব্যথা বা সমস্যা থাকলে শিশু ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারে না। ফলে পুষ্টির অভাবে শিশুর শরীরে নানা ধরনের রোগবালাই দেখা দিতে পারে।

​নিয়মিত পরিচর্যা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ

শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রতি ৬ মাস পরপর তাকে অভিজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত। এতে শিশুর দাঁতে কোনো প্রকারের ক্যারিজ (ক্ষয়) তৈরি হয়েছে কি না কিংবা মুখে কোনো ঘা বা ইনফেকশন হয়েছে কি না, তা সময়মতো ধরা পড়ে।

​এ বিষয়ে ওরাল অ্যান্ড ডেন্টাল সার্জন এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ কনসালটেন্ট ডা. তামিজুল আহসান রতন বিশেষ পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ‌‘প্রতিটি বাবা-মায়ের মূল দায়িত্ব হলো শিশুর জন্মের চার মাস পর থেকেই তাকে নিয়মিত দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া।’ শিশুর ​প্রাথমিক বয়স থেকেই দাঁতের যত্ন নিলে সে থাকবে হাসিখুশি, রোগমুক্ত ও প্রাণবন্ত।

এসইউ

Original Source
https://www.jagonews24.com/women-and-children/article/1156028
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World