৭ লেখক-শিল্পী পাচ্ছেন দোনাগাজী পদক
মধ্যযুগের কিংবদন্তি পুঁথিসাহিত্যিক, সতেরো শতকের রোমান্টিক কবি দোনাগাজীর নামে ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিত সাহিত্য পদক দিয়ে আসছে চাঁদপুরের চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। এবার দুই বছরের পদক একসঙ্গে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ১১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৭ গুণীজনের নাম ঘোষণা করে চর্যাপদ একাডেমি।
এর আগে একাডেমির সভাপতি আয়শা আক্তার রুপার সভাপতিত্বে জুড়ি বোর্ডের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন লাভ করে। বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই বছরের পদকপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করা হয়। পদকপ্রাপ্তরা হলেন: ২০২৫ সালে কবিতায় সোহরাব পাশা, কথাসাহিত্যে ইশরাত তানিয়া, শিশুসাহিত্যে স. ম. শামসুল আলম, সংগীতে রনক রায়হান। ২০২৬ সালে কবিতায় শিবলী মোকতাদির, চারুকলায় অমল সেনগুপ্ত এবং লোক-গবেষণায় সৈয়দা আঁখি হক।

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জুড়ি বোর্ডের সদস্য সচিব শিউলী মজুমদার, প্যাপিরাস পাঠাগারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান কবির, একাডেমির নিয়ন্ত্রণ পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুল্লা কাহাফ, পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিক, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, নির্বাহী সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি, বিজ্ঞান ও আইসিটি পরিচালক রাসেল ইব্রাহীম, উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান স্বপন, সমন্বয়কারী সাইফুল খান রাজীব, প্রাবন্ধিক লিটন শীল।
একাডেমির সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যে এই পদক সাত গুণীজনের তুলে দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে উদযাপন পরিষদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, ‘দোনাগাজী ছিলেন মধ্যযুগের কবি। সতেরো শতকের পুঁথিশিল্পী দোনাগাজী প্রধানত রোমান্টিক ঘরানার কবি ছিলেন। বিখ্যাত প্রেমকাব্য ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’ তাকে অমর করে রেখেছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তার নামে চর্যাপদ একাডেমি এ পদক দিয়ে আসছে।’
এসইউ
