বিয়ের ৩ মাসেই নববধূর মৃত্যু, রিমান্ড শেষে স্বামী কারাগারে

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
ঢাকার শ্যামপুরে ১৬ বছর বয়সী আফরা খানকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামী রাহাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুই দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুন...

ঢাকার শ্যামপুরে ১৬ বছর বয়সী আফরা খানকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামী রাহাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ রাহাতকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাহাতকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালতের আদেশের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত রাহাত হোসেনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। সেই রিমান্ড শেষে শুক্রবার তাকে আদালতে তোলা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৮ মে রাহাত ও আফরা পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাহাত আফরাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে নির্যাতন ও অপমান করা হতো বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২০ আগস্ট আফরার শাশুড়ি সোনিয়া আক্তার ফোন করে তার মা লাকী আক্তারকে জানান, আফরা অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে রাহাতের বাবা লিটন ব্যাপারী ও বড় ভাই সাইফ হোসেন তাকে সূত্রাপুরের একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান।

খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন আফরার মা। পরে আফরাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় একই দিন ২০ আগস্ট শ্যামপুর থানায় রাহাতসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন লাকী আক্তার। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—রাহাতের মা সোনিয়া আক্তার, বাবা লিটন ব্যাপারী ও বড় ভাই সাইফ হোসেন।

মামলার পরদিন ২১ আগস্ট শ্যামপুরের ডিআইটি প্লট এলাকার নিজ বাসা থেকে রাহাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ড আবেদন করলে ৮ সেপ্টেম্বর আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অন্য তিন আসামি গত ২ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস/

Original Source
https://www.jagonews24.com/law-courts/news/1156214
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World