নবীর আদর্শ অনুসরণ করেই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সুদৃঢ় করতে হবে: চসিক মেয়র
মহানবীর আদর্শ অনুসরণের মধ্য দিয়েই আমাদের সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও সুদৃঢ় করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা মাঠে জুমার নামাজ আদায় শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
বিদেশে অবস্থান করায় এ বছর ঐতিহাসিক জশনে জুলুসে অংশ নিতে পারেননি চসিক মেয়র। দেশে ফিরে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে পাকিস্তানের সিরিকোট দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন ও রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরীকত আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (পীরে বাঙ্গাল) এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন তিনি।
এ সময় সিরিকোট দরবার শরীফের বিশেষ অতিথি সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ এবং শাহজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমদ শাহের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিদেশে অবস্থান করায় এ বছর জশনে জুলুসে সরাসরি অংশ নিতে পারিনি। তবে, দেশে ফিরে জুমার নামাজ আদায় এবং সম্মানিত আলেম ও পীর-মাশায়েখের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি আনন্দিত।
তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য শান্তি, মানবতা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির মহান শিক্ষা রেখে গেছেন। তার আদর্শ অনুসরণের মধ্য দিয়েই আমাদের সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও সুদৃঢ় করতে হবে।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য নগরী। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। মহানবী (সা.)-এর শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির আদর্শ ধারণ করে আমাদের এই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ যেন আরও বাড়ে সেদিকে সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
এমআরএএইচ/এএমএ


