বিশ্বকাপের আগে পারফরম্যান্সের কাঁটাছেঁড়া চান নান্নু
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই দল গোছানোর প্রক্রিয়া শুরু করার তাগিদ দিয়েছেন বিসিবি পরিচালক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। তার মতে, সামনে থাকা একের পর এক ওয়ানডে সিরিজই হবে ক্রিকেটারদের নিজেদের প্রমাণের বড় সুযোগ। পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে সেখান থেকেই বিশ্বকাপের সম্ভাব্য সেরা দল বেছে নিতে হবে।
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটি জয় ছাড়া উল্লেখ করার মতো সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। সেই হতাশা পেছনে ফেলে আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের জন্য নতুনভাবে দল সাজানোর পরিকল্পনা করতে হবে।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নান্নু বলেন, ‘পরপর যে সিরিজগুলো আছে, অনেকগুলো ওয়ানডে ম্যাচ আছে। এখান থেকে সম্ভাব্য সেরা দলটি বেছে নিতে হবে। নামের দিকে না গিয়ে ১০টি ইনিংসের পারফরম্যান্স দেখতে হবে কে কেমন করছে। এরপর সেরা সম্ভাব্য বিশ্বকাপ স্কোয়াড প্রস্তুত করাটা জরুরি। পারফরম্যান্সটাই সবার আগে দেখতে হবে, এরপর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে কতটা মানিয়ে নিতে পারছে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।’
শুধু প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটারদের ওপর নির্ভর না করে ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে নতুন প্রতিভাকেও সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজন দেখছেন সাবেক এই প্রধান নির্বাচক। তার মতে, একটি দলকে দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রস্তুত করতে হলে নির্বাচক ও কোচদের সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার খুঁজে বের করে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে।
এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে তানজিদ হাসান তামিমের প্রসঙ্গ টেনেছেন নান্নু। ২০২৩ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার সময় তাকে নিয়ে নানা সমালোচনা হলেও তিন বছরের মধ্যে তিন সংস্করণেই তিনি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারে পরিণত হয়েছেন।
নান্নু বলেন, ‘সেই জায়গায় নির্বাচক-কোচরা প্রতিভা খুঁজে বের করতে হবে। আগামী ৪-৫ বছরের চিন্তাভাবনা করে খেলাতে হবে। ২০২৩ সালে আমরা যখন তানজিদ হাসান তামিমকে নিয়ে চিন্তা করেছিলাম, তখন মিডিয়ায় অনেক সমালোচনা হয়েছিল। কিন্তু সেই তানজিদ তামিম আজ প্রায় প্রতিষ্ঠিত।’
ভবিষ্যতের জন্য এমন ক্রিকেটার বাছাই করতে গিয়ে ঝুঁকি নেওয়ার বিকল্প নেই বলেও মনে করেন নান্নু। তিনি বলেন, ‘আপনাকে ঝুঁকি নিতেই হবে এবং এমন প্রতিভাকে চিহ্নিত করতে হবে যে আগামী ৫-৭ বছর দেশের জন্য ভালো ক্রিকেট খেলবে।’
এসকেডি/আইএন


