ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসম্পৃক্ততাই প্রধান হাতিয়ার

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসম্পৃক্ততাই প্রধান হাতিয়ার। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউটের সামনে দেশব্যাপী ‘ডে...

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসম্পৃক্ততাই প্রধান হাতিয়ার।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউটের সামনে দেশব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ উপলক্ষে চসিকের তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এজন্য নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।

তিনি বলেন, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক, পলিথিন, ফোম কিংবা ডাবের খোসা ফেলে রাখা যাবে না। এসব স্থানে সামান্য স্বচ্ছ পানি জমে থাকলেও এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। বাসার ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, এসির পানি জমার স্থান ও পরিত্যক্ত পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সিটি করপোরেশনের একার দায়িত্ব নয়। বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

তিনি জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে চসিক। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) স্বীকৃত বিটিআই (BTI) পদ্ধতি ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত লার্ভিসাইড প্রয়োগ ও অ্যাডাল্টিসাইড স্প্রে করা হচ্ছে।

মেয়র বলেন, নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে পরিস্থিতি অনুযায়ী বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোতোয়ালী, হালিশহর, বন্দর, আকবরশাহ, বাকলিয়া ও চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব কার্যক্রম চলছে।

চট্টগ্রামে চলতি বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৭৪২ জন। তবে নগরীর পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডেঙ্গুর পাশাপাশি চিকুনগুনিয়া, জিকা ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেন মেয়র। তিনি বলেন, রোগী শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে আগে থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বৃষ্টির পর কোথাও পানি জমে থাকলে দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। তাই নিজের ঘর, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিককে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএনসিসি, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

পরে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চসিকের তিন মাসব্যাপী বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এমআরএএইচ/এসএনআর

Original Source
https://www.jagonews24.com/national/news/1156327
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in Health