কান-নাক ফোঁড়ানোর পর দ্রুত শুকাতে যত্ন নেবেন যেভাবে

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
কান কিংবা নাকে গয়না পরতে ভালোবাসেন অনেকেই। আর সেই গয়না পরার জন্য প্রয়োজন ত্বকে পিয়ার্সিং বা ফোঁড়াতে হয়। দেখতে সহজ মনে হলেও পিয়ার্সিংবা ফোঁড়ানোর পর জায়গাটি পুরোপুরি শুকিয়ে ওঠা সবসময় সহজ হয় না। কখনো ব্যথা, ফোলাভাব, লালচে ভাব কিংবা সংক্রমণের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আবার ঠিকমতো...

কান কিংবা নাকে গয়না পরতে ভালোবাসেন অনেকেই। আর সেই গয়না পরার জন্য প্রয়োজন ত্বকে পিয়ার্সিং বা ফোঁড়াতে হয়। দেখতে সহজ মনে হলেও পিয়ার্সিংবা ফোঁড়ানোর পর জায়গাটি পুরোপুরি শুকিয়ে ওঠা সবসময় সহজ হয় না। কখনো ব্যথা, ফোলাভাব, লালচে ভাব কিংবা সংক্রমণের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আবার ঠিকমতো যত্ন না নিলে ছিদ্রটি ভালো না হয়ে শেষ পর্যন্ত গয়নাও খুলে ফেলতে হতে পারে।

তবে পিয়ার্সিংয়ের পর কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে অস্বস্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জায়গাটি পরিষ্কার রাখা এবং অকারণে সেখানে হাত না দেওয়া। তবে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রয়েছে একাধিক ঘরোয়া পদ্ধতি। জানা থাকলে কান-কানের পিয়ার্সিং দ্রুত সেরে যাবে।

পিয়ার্সিংয়ের জায়গা পরিষ্কার রাখুন

পিয়ার্সিং দ্রুত সেরে ওঠার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবচেয়ে জরুরি। জায়গাটি পরিষ্কার করার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর পরিষ্কার স্যালাইন পানি দিয়ে পিয়ার্সিংয়ের আশপাশ আলতোভাবে পরিষ্কার করতে পারেন।

কটন বাড বা কাপড় দিয়ে জোরে ঘষাঘষি করা ঠিক নয়। এতে নতুন তৈরি হওয়া ত্বকে আঘাত লাগতে পারে। একইভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যালকোহল, পারফিউম বা শক্তিশালী জীবাণুনাশক ব্যবহার না করাই ভালো। এসব উপাদান ত্বকে অতিরিক্ত শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে।

দুল বা নাকের গয়না বারবার ঘোরাবেন না

পিয়ার্সিং করার পর অনেকেই মনে করেন, কানের দুল বা নাকের নোলক নিয়মিত ঘোরালে ছিদ্রটি দ্রুত শুকিয়ে যাবে। কিন্তু নতুন পিয়ার্সিংয়ের ক্ষেত্রে এটি উল্টা ক্ষতি করতে পারে। বারবার গয়না নাড়াচাড়া করলে ভেতরে তৈরি হওয়া নতুন টিস্যুতে আঘাত লাগতে পারে। ফলে জ্বালা, ব্যথা ও ফোলাভাব বাড়তে পারে এবং সেরে উঠতে আরও সময় লাগতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া গয়না নাড়াচাড়া না করাই ভালো।

বালিশ ও চুল পরিষ্কার রাখুন

ঘুমের সময় পিয়ার্সিং করা কানের ওপর চাপ পড়লে ব্যথা কিংবা অস্বস্তি হতে পারে। তাই প্রথম দিকে ওই কানের ওপর ভর দিয়ে না ঘুমানো ভালো। পাশাপাশি বালিশের কভার নিয়মিত পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন।

চুলের তেল, শ্যাম্পু, হেয়ার স্প্রে কিংবা অন্যান্য প্রসাধনী যেন পিয়ার্সিংয়ের জায়গায় না লাগে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এসব পণ্য থেকে ত্বকে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হতে পারে।

অপ্রয়োজনীয় স্পর্শ এড়িয়ে চলুন

আমরা অনেক সময় অজান্তেই কান বা নাক স্পর্শ করি। কিন্তু অপরিষ্কার হাতে পিয়ার্সিংয়ের জায়গায় হাত দিলে জীবাণু ঢোকার আশঙ্কা থাকে। তাই প্রয়োজন ছাড়া সেখানে হাত না দেওয়াই নিরাপদ। এছাড়া মোবাইল ফোন, হেডফোন বা অন্য যেসব জিনিস নিয়মিত কানের সঙ্গে ঘষা খেয়ে থাকে, সেগুলোও পরিষ্কার রাখা জরুরি।

অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হবেন

নতুন পিয়ার্সিংয়ের পর সামান্য ব্যথা, সংবেদনশীলতা বা হালকা ফোলাভাব কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। তবে সময়ের সঙ্গে যদি ব্যথা বা ফোলাভাব বাড়তে থাকে, জায়গাটি অতিরিক্ত লাল হয়ে যায়, গরম অনুভূত হয় কিংবা পুঁজের মতো স্রাব বের হয়, তাহলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না।

এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। সংক্রমণের সন্দেহ হলে নিজে থেকে গয়না খুলে ফেলা বা কোনো ঘরোয়া উপাদান লাগানোর পরিবর্তে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

পিয়ার্সিংয়ের পর একটু বাড়তি যত্ন নিলেই অনেক ধরনের অস্বস্তি এড়ানো যায়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, কম নাড়াচাড়া এবং অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াই হতে পারে সুন্দর পিয়ার্সিং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার সবচেয়ে সহজ নিয়ম।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া. মায়ো ক্লিনিক

এসএকেওয়াই

Original Source
https://www.jagonews24.com/lifestyle/article/1156438
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in Lifestyle