ভেজাল ও নিম্নমানের কীটনাশক দিয়ে বাকি টাকা মেরে দেওয়া হয়, বললেন মিলন
সংবাদের দুটি ফটোকার্ড যুক্ত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন। ১২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে মশা মারার ওষুধ পরীক্ষার বিষয়ে পোস্টটি করেন তিনি।
মাহবুব কবীর মিলন লিখেছেন, ‘ফটোকার্ড দুটো পাশাপাশি দিলাম। সামান্য মশার কামড়ে মরণের লজ্জা না হয় বাদ দিলাম। আচ্ছা, মশা আর মশার লার্ভা মারার ওষুধ যা সরকারিভাবে প্রয়োগ করা হয়, বিশেষ করে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন।
এই ওষুধ বা কীটনাশক কি সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব টেস্ট বাদে তৃতীয় পক্ষ কেউ ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখেছে, সেখানে ওষুধ বা অ্যাক্টিভ ইনগ্রিডিয়েন্টস ৯৮%-এর জায়গায় পুরোটা পানি আর কেরোসিন তেল দেওয়া হয়, নাকি মাত্র ৫%, ১০% দিয়ে স্প্রে করে মশা আর লার্ভার সুরসুরি তোলা হয়! একেবারেই ভেজাল ও নিম্নমানের কীটনাশক দিয়ে বাকি টাকা মেরে দেওয়া হয়।
আমাদের দেশে জমির ফসলে যে কীটনাশক স্প্রে করা হয়, তার অধিকাংশই ভেজাল, নিম্নমানের। এমনকি বোতলে পানি পাওয়ার রেকর্ডও আছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষক এবং কৃষি। পোকামাকড়ের রেসিস্টেন্ট ডেভেলপ করে, তখন ৩/৪টা কীটনাশক ককটেইল করে স্প্রে করলেও আর কাজ হয় না। সেগুলোর সব রেসিডিউ এসে ঢোকে আমাদের পেটে।
মশা মারার ওষুধও কিন্তু কীটনাশক। অনুমতি দেয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এফিকেসি পরীক্ষা হয় এক ল্যাবে, অ্যাক্টিভ ইনগ্রিডিয়েন্টস পরীক্ষা আর এক ল্যাবে।
আচ্ছা, এই ডেঙ্গু মশা বা লার্ভা মারার ওষুধ যদি নিম্নমানের বা ভেজাল হয়, তবে সেই ওষুধে যদি মশা না মরে, তার কামড়ে শতশত মানুষ মারা যায়, তার দায় পরকালে কাকে কাকে নিতে হবে বলে মনে করেন?
আবার আপনার বাসা বাড়ি নোংরা, অপরিষ্কার এবং জমে থাকা পানি ও আবর্জনায় বাসা বাঁধা মশার কামড়ে অন্য কেউ মারা গেলে পরকালে আপনি দায়ী হবেন কি না, চিন্তা করবেন প্লিজ।
তবে মশার ওষুধ পরীক্ষার বিষয়টা হালকাভাবে নেওয়ার অবকাশ নেই। জাস্ট অগ্রিম মনে করিয়ে দিয়ে রাখলাম মাত্র।’
এসইউ




