ইংল্যান্ডের মাটিতে এমন লজ্জায় আর পড়েনি পাকিস্তান

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
প্রথম টেস্টে ইনিংস পরাজয়, পরের টেস্টে বড় ব্যবধানে হার। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) খেলোয়াড়দের ওপর এতটাই খেপে গিয়েছিল, সিরিজের মাঝপথে কোচ এবং একসঙ্গে ৭ ক্রিকেটারকে ছাঁটাই করে। এজবাস্টনে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাপক রদবদল নিয়ে মাঠে নামে পাকিস্তান। এবার অবশ্য লড়াই করেছে। তবে ফলাফল...

প্রথম টেস্টে ইনিংস পরাজয়, পরের টেস্টে বড় ব্যবধানে হার। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) খেলোয়াড়দের ওপর এতটাই খেপে গিয়েছিল, সিরিজের মাঝপথে কোচ এবং একসঙ্গে ৭ ক্রিকেটারকে ছাঁটাই করে।

এজবাস্টনে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাপক রদবদল নিয়ে মাঠে নামে পাকিস্তান। এবার অবশ্য লড়াই করেছে। তবে ফলাফল বদলায়নি। হারতেই হয়েছে পাকিস্তানকে।

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে পাকিস্তান প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের শিকার হলো। একই সঙ্গে ২০১৬ সালের পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয়ের অপেক্ষাও আরও দীর্ঘ হলো পাকিস্তানের।

তৃতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন সকালে পাকিস্তান যখন বড় ব্যবধানে হারের মুখে, তখনই নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে ৪৪৯ রান করে পাকিস্তান। ফলে ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩০ রান।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুটা স্বস্তিদায়ক ছিল না ইংল্যান্ডের। দ্রুতই বেন ডাকেট ও এমিলিও গে আউট হয়ে গেলে পাকিস্তানের সামনে ম্যাচে ফেরার ক্ষীণ সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে অভিজ্ঞ জো রুট ও জর্ডান কক্স সেই সম্ভাবনা আর বাস্তবে রূপ নিতে দেননি। দুজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ১৩১ রানে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। ফলে ৮ উইকেটের জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।

এর আগে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে মাত্র ১৩৩ রানে গুটিয়ে দেয় ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণ। জশ টং ৪২ রানে ৪ উইকেট নেন। ওলি রবিনসন ও জোফরা আর্চার শিকার করেন তিনটি করে উইকেট।

জবাবে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস থামে ৪৫৩ রানে। হ্যারি ব্রুক ৭৫, জেমি স্মিথ ৬৯, ড্যান লরেন্স ৬৫, এমিলিও গে ৬০ এবং ওলি রবিনসন ৫০ রান করেন। এতে পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে হারের প্রবল শঙ্কায় পড়ে।

তবে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটাররা সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা দেখান। শান মাসুদ ৯৫ রান করে মাত্র পাঁচ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন। বাবর আজম করেন ৭৬ এবং আজান আওয়াইসের ব্যাট থেকে আসে ৫৯ রান।

তবে পাকিস্তানের লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা ২১ বছর বয়সী রাজাউল্লাহ। নয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬৩ বলে ৮১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল নয়টি ছক্কা। এর আগে বল হাতেও নজর কাড়েন এই তরুণ, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ জো রুটের উইকেটও তুলে নেন।

রাজাউল্লাহর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান বড় ধাক্কা সামলে ম্যাচকে চতুর্থ দিন পর্যন্ত টেনে নেয়। মোহাম্মদ আব্বাসের সঙ্গে তার ১২১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি পাকিস্তানকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেয়। আব্বাস করেন ক্যারিয়ারসেরা ৪২ রান।

রাজাউল্লাহর নয়টি ছক্কা ইংল্যান্ডের মাটিতে কোনো টেস্ট ইনিংসে এক ব্যাটারের যৌথভাবে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড।

সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ড জিতেছিল ইনিংস ও ১০৩ রানে, দ্বিতীয় টেস্টে জয় এসেছিল ১৯৪ রানে। তৃতীয় টেস্টে ৮ উইকেটের জয় দিয়ে সিরিজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করলো স্বাগতিকরা।

এমএমআর

Original Source
https://www.jagonews24.com/sports/cricket/1156460
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World