অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারসহ ১৩ দফা দাবিতে জাকসুর অবস্থান
অ্যাকাডেমিক সংস্কার ও শিক্ষার্থীবান্ধব ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
জাকসুর ১৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন, থিসিসে বরাদ্দ বৃদ্ধি, ওয়াজেদ মিয়া গবেষণা কেন্দ্রে সার্টিফিকেট কোর্স চালু, স্টুডেন্ট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ, শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুবিধা নিশ্চিত করা, প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইলের মেয়াদ বৃদ্ধি, পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ, মানোন্নয়ন পরীক্ষা সহজ করা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস শক্তিশালী করা, বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ চালু, বাস্তবসম্মত পরীক্ষার সময়সূচি প্রণয়ন এবং অনলাইন ই-রিসোর্স সমৃদ্ধ করা।
জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসান বলেন, দীর্ঘদিন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারছেন না। শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি থিসিসের বরাদ্দ অন্তত ২০ গুণ বৃদ্ধি ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের দাবি জানান তিনি।
জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, অ্যাকাডেমিক সংস্কারের দাবিগুলো নিয়ে জাকসু শুরু থেকেই কাজ করছে। সর্বশেষ একাডেমিক কাউন্সিলে তাদের অধিকাংশ দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তও হয়েছে। সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের তালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, জাকসুর দাবিগুলো প্রাসঙ্গিক। তবে সরকারি বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই অ্যাকাডেমিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি বরাদ্দের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হবে।
মো. রকিব হাসান প্রান্ত/কেএইচকে/এএসএম


