হেমা মালিনীর আগে যে পাকিস্তানি মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র
বলিউডের কিংবদন্তিতুল্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর ব্যক্তিজীবনও তার দীর্ঘ অভিনয়জীবনের মতোই আলোচিত। বিশেষ করে হেমা মালিনীর সঙ্গে তার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। তবে হেমা মালিনীর আগে ধর্মেন্দ্রর জীবনে এসেছিল আরেকটি ভালো লাগার গল্প। স্কুলজীবনের সেই প্রেম ছিল এক পাকিস্তানি মেয়েকে ঘিরে, যা শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায়নি।
ধর্মেন্দ্র দুইবার বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী। তবে হেমার সঙ্গে সম্পর্কের আগে বলিউডের এই অভিনেতার জীবনে ছিল আরও একটি সরল ও আবেগঘন অধ্যায়। সেটি কোনও পরিচিত অভিনেত্রীকে ঘিরে নয়, বরং তার স্কুলজীবনের স্মৃতি।
একবার সালমান খানের উপস্থাপনায় ‘দশ কা দম’ অনুষ্ঠানে নিজের ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওলকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। সেখানেই নিজের স্কুলজীবনের প্রেমের কথা বলেছিলেন তিনি। অভিনেতা জানান, সেই মেয়েটির নাম ছিল হামিদা। তিনি ছিলেন ধর্মেন্দ্রর স্কুলশিক্ষকের মেয়ে।
ধর্মেন্দ্রর সেই স্মৃতি দেশভাগের আগের পাঞ্জাবের। তখন ভারত-পাকিস্তান আলাদা রাষ্ট্র হয়নি। পাঞ্জাবের একটি গ্রামেই জীবনের বড় একটা সময় কাটিয়েছেন তিনি। সেখানেই স্কুলে পড়ার সময় হামিদার প্রতি তার ভালো লাগা তৈরি হয়।
অভিনেতার ভাষ্য অনুযায়ী, তখন তিনি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। বয়স ছিল অল্প। ফলে সেই অনুভূতি ছিল কৈশোরের সরল ও অবুঝ ভালো লাগা। কিন্তু সেই সম্পর্ক কখনো পরিণতি পায়নি।
তবে সময়ের সঙ্গে সেই স্মৃতি হারিয়ে যায়নি। বহু বছর পরও স্কুলজীবনের সেই মেয়েটির কথা মনে রেখেছেন ধর্মেন্দ্র। এমনকি সেই অনুভূতিকে একসময় কবিতার আকারও দিয়েছিলেন বলে অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে ধর্মেন্দ্রর জীবনে আসে প্রকাশ কৌর। তাকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন এই অভিনেতা। পরে হেমা মালিনীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তিনি। তাদের সম্পর্কও বলিউডে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কিন্তু এসবের বহু আগে, অল্প বয়সেই যে একটি প্রেম তার মনে জায়গা করে নিয়েছিল, সেই গল্প অনেকেরই অজানা।
হামিদার সঙ্গে ধর্মেন্দ্রর সেই সম্পর্ক পূর্ণতা না পেলেও স্মৃতিতে তা রয়ে গেছে। জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সেই কৈশোরের ভালো লাগার কথা নিজেই প্রকাশ্যে বলেছিলেন বলিউডের ‘হিম্যান’ ধর্মেন্দ্র।
এমএমএফ



