হুথিদের সঙ্গে লড়াইয়ে ৫০০ ইয়েমেনি সেনা নিহত

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে হুথিদের সঙ্গে লড়াইয়ে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে সরকারি বাহিনী। গত এক মাসের সংঘর্ষে ৫০০-এর বেশি ইয়েমেনি সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় দেড় হাজার। এর মধ্যেই ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারেও তৈরি হয়েছে নতুন...

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে হুথিদের সঙ্গে লড়াইয়ে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে সরকারি বাহিনী। গত এক মাসের সংঘর্ষে ৫০০-এর বেশি ইয়েমেনি সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় দেড় হাজার। এর মধ্যেই ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারেও তৈরি হয়েছে নতুন আশঙ্কা।

ইয়েমেনের স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সরকারপন্থি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেস জানিয়েছে, ৯ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটির পশ্চিম উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় হুথিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এসব সেনা হতাহত হয়েছেন।

সরকারপন্থি বাহিনীর দাবি, এ লড়াইয়ে হুতিদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। তবে, হুতিদের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি। ফলে, দুই পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির তুলনা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে হুথিদের সঙ্গে সরকারপন্থি বাহিনীর সংঘর্ষ চলছে। সম্প্রতি সেখানে লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। এক মাসে পাঁচ শতাধিক সেনা নিহত এবং প্রায় দেড় হাজার আহত হওয়ার ঘটনা সরকারপন্থি বাহিনীর ওপর সংঘাতের বড় চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে, ইয়েমেনের সংঘাতের বাইরে অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে সৌদি আরবের তেল সরবরাহেও। গত শুক্রবার ইরাকের ভূখণ্ড থেকে চালানো ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তার ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন বন্ধ করে দেয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যে পাইপলাইন দিয়ে আবার তেল পরিবহন শুরু করা না গেলে বিশ্ববাজারে সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

হামলায় পাইপলাইনটির কতটা ক্ষতি হয়েছে এবং মেরামত শেষে কবে আবার তেল পরিবহন শুরু করা যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ অবস্থায় তেল ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের আশঙ্কা, পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় চার শতাংশ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

এছাড়া, রপ্তানির জন্য সৌদি আরবের মজুত তেলও শেষ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। এতে আগে থেকেই চাপে থাকা বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের সংকট আরও বাড়তে পারে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বিশ্ব তেল সরবরাহে এরই মধ্যে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সৌদির গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পাইপলাইন বন্ধ হওয়ায় সেই সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমডিআরএইচ/

Original Source
https://www.jagonews24.com/international/news/1156848
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World