চুয়াডাঙ্গায় সারের ৪৫ ডিলারশিপ পেতে ৬৪৩ আবেদন

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
চুয়াডাঙ্গায় ২০২৬ সালের সার ডিলার নিয়োগে চার উপজেলায় ৪৫টি ডিলারশিপের বিপরীতে ৬৪৩টি আবেদন জমা পড়েছে। এতে প্রতিটি ডিলারশিপের বিপরীতে গড়ে প্রায় ১৪ জন আবেদনকারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম ঠেকাতে দেশের ৬৪ জেলায় মনিটরিং...

চুয়াডাঙ্গায় ২০২৬ সালের সার ডিলার নিয়োগে চার উপজেলায় ৪৫টি ডিলারশিপের বিপরীতে ৬৪৩টি আবেদন জমা পড়েছে। এতে প্রতিটি ডিলারশিপের বিপরীতে গড়ে প্রায় ১৪ জন আবেদনকারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এদিকে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম ঠেকাতে দেশের ৬৪ জেলায় মনিটরিং সেল গঠন করেছে সরকার।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ১১টি ডিলারশিপের বিপরীতে ১৭৪টি আবেদন জমা পড়েছে। আলমডাঙ্গায় ১৬টি ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছেন ১৯৮ জন। দামুড়হুদায় ৯টি ডিলারশিপের বিপরীতে ১৬০টি এবং জীবননগরে ৯টি ডিলারশিপের জন্য ১১১টি আবেদন জমা পড়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নূরল ইসলাম জানান, ২০২৬ সালের সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী ধাপে ধাপে আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি প্রাথমিকভাবে আবেদন যাচাই করে উপজেলা কমিটির কাছে পাঠাবে। উপজেলা কমিটি আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই করে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য তিনজন যোগ্য প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করবে। পরে জেলা কমিটি প্রস্তাবিত প্রার্থীদের তথ্য পুনরায় যাচাই করে তিনজনের তালিকা কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে পাঠাবে। কেন্দ্রীয় কমিটি আবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ইউনিয়ন প্রতি একজনকে মনোনয়ন দেবে। এরপর সাত কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত নিয়োগ অনুমোদনের কথা রয়েছে।

নূরল ইসলাম বলেন, চুয়াডাঙ্গার ৪৫টি ডিলারশিপের বিপরীতে ৬৪৩টি আবেদন পড়েছে। নির্ধারিত যোগ্যতা ও নীতিমালা অনুসরণ করে যোগ্য প্রার্থীদেরই ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এদিকে জাতীয় সংসদে সারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম ঠেকাতে দেশের ৬৪ জেলায় মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি সেলে দুজন করে যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সেল তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে সরকারি মজুত রয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় সরকারি মজুত প্রায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি।

কৃষকদের প্রত্যাশা, চুয়াডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব বা অনিয়মের পরিবর্তে আবেদনকারীর গুদাম সুবিধা, আর্থিক সক্ষমতা, সার বাজারজাতকরণের অভিজ্ঞতা ও সততার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। একইসঙ্গে সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যকর থাকলে কৃষকের কাছে সারের সুষম সরবরাহ নিশ্চিত হবে এবং কৃত্রিম সংকট ও বাজারে অস্থিরতা এড়ানো সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য গত ১ সেপ্টেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪৫টি সার ডিলারশিপের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ছিল আবেদনের শেষ দিন।

হুসাইন মালিক/এফএ

Original Source
https://www.jagonews24.com/country/news/1156942
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World