যশোরের আঞ্চলিক ভাষার একটি কবিতা
নক্তবাঁধ
গোলাম রববানী
তোরে কলাম তুইনাই সমেস্যাটা একটু দেখ
এতো বুঝাইসুঝাই কয়ার মতন পৃথিবীর দাবিও না
দাবাও ছিল না মোটেও, কওন যে রক্ত পুঁজ হলো
চর্মরোগ হলো, ফোঁড়া ফেটে পুঁজ শরীর হালকা হলো
বার হইয়া গেল বুঝে ওঠার অবকাশ হইলো না
অতঃপর শয়তানদ্বীপের সহবতী শিকড় কুটে দিলো
তুলে নিয়ে গেল, কোতায় গিয়ে দাঁড়ালো কে জানে!
সানধির নিকটপ্রতি যেন সাত মহাদেশ গিলে খাইছে।
সাড়ে সব্বনাশের শব্দ শোনে না কেউ আজকালকার
গপ্পো গপে গেল গাঢ়তর অন্ধকারের থুয়ে
আজ আইছি ছিঁড়েফুটো নেশার ফোঁটা ধইরি রাখতি
খুশ হ এ সর্বনাশী ঢেলাভূমি আর প্যাকের মদদি
পঞ্চমী চাঁদের কতা কিয়ার কতাম বৃদ্ধ প্রেম পোয়াতি
বদফড়িং বার হইয়ি আসে কালক্ষুধার টুপি থেকি
রক্তের রক্ত থাইকি বার হয় কাচের পায়রাগাছা
সলক হয়ার আগেবাগে সইন্দা নাইমে যায় একানে
শকের সজন সৌন্দর্যদানি গিলে ঘোলাটে চান
শেকড়ের কড়ে কড়াপড়া মন বদলে সেয়ানা জীবন
কেমনে কেরাম কইরে ভাইঙ্গে পড়ে নক্তবাঁধ
ডুইবে যা-ই বেশভূষায় কাব্যসংসার বোধ নীলজন্মচরে
ক্ষমাসুন্দর ফুল ফোটার মতো গোলামের গল্প ভাঙাঘ্রাণে।
এসইউ



