আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ ফের কমেছে
এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসছিল ভারতের আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র। এই পরিস্থিতির মধ্যে গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এতে উৎপাদন আরও কমায় দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়। গেলো রোববার থেকে বন্ধ ইউনিট চালুর পর দুপুর থেকে উৎপাদন বাড়িয়েছিল তারা। এরপর আজ সকাল থেকে ফের সরবরাহ কমতে শুরু করেছে।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টায় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি পিএলসির তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা পিকে ১৪৭২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছিল আদানি। আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াটের কাছাকাছি বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছিল তারা।
এরপর সকাল ৯টায় ১২১৪ মেগাওয়াট, সকাল ১০টায় ১০০৪ মেগাওয়াট এবং বেলা ১১টায় ৯৩২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের তথ্য দেখানো হয়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, কি কারণে কমেছে জানা নেই। এমন কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেনি। যান্ত্রিক ত্রুটি আছে কি না, বা অন্য কোনো কারণ বিষয়টি খোঁজ নিতে হবে।
তবে রোববার আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর আগেই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট। এতে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কমে অর্ধেকে নেমেছে।
ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত কয়লাচালিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মাঝে কয়লা সংকটে উৎপাদন কমিয়েছিল। এখন কয়লার মজুত আছে। উৎপাদন হচ্ছিল ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি। হঠাৎ একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ায় এটির উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে।
রোববার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেছিলেন, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রামপালের ইউনিট-২ বন্ধ করা হয়েছে।
কতদিন পর রামপালের ইউনিটটি চালু করা যাবে জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, ইউনিট বন্ধের পর কুল ডাউন করতে হয়। এরপর সম্ভবত ইন্ডিয়া থেকে দুইজন প্রকৌশলী আসবে। আপাতত আইডিয়া করা যাচ্ছে না, দুইদিন পর বলা যাবে৷ এখন প্রিলিমিনারি পর্যায়ে আছে।
এনএস/এসএনআর