রাবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ধাপে ধাপে এ পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি বিভাগে কোডিং করা উত্তরপত্র ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীর।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ছয়টি বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে কোডিং পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম হস্তান্তর করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম।
প্রথম পর্যায়ে কোডিং করা উত্তরপত্র পাচ্ছে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। কোডিং পদ্ধতিতে উত্তরপত্রে পরীক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রেখে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। ফলে পরীক্ষকের কাছে উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় পরীক্ষার্থীর পরিচয় জানা সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে। এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের জন্য প্রয়োজনীয় উত্তরপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যেসব বিভাগের পরীক্ষা সামনে আসবে, নির্ধারিত সময়ে সেসব বিভাগের কাছে কোডিং করা উত্তরপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ছয়টি বিভাগ তাদের পরীক্ষার তারিখ জানিয়েছে। আগামীকাল ওই ছয়টি বিভাগের জন্য প্রস্তুত করা কোডিং করা উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে। এর মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে। এ পদ্ধতি চালুর ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা আরও বাড়বে।।’
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক হাসনাত কবির বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কোডিং পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যয়নের। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আগামীকাল থেকে এটা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করবো। প্রথমে ছয়টি বিভাগ এবং পর্যায়ক্রমে সব বিভাগে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।’
মিরাজ হোসেন/এসআর/এএসএম



