বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারী অন্তঃসত্ত্বা, ৩ চাচার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
পিরোজপুরের নাজিরপুরে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী তিন চাচার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই নারী বর্তমানে প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকের পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষে থানায় মামলা করা হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ...

পিরোজপুরের নাজিরপুরে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী তিন চাচার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই নারী বর্তমানে প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকের পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষে থানায় মামলা করা হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মৃত গনি মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন (৬০), মো. ইব্রাহিমের ছেলে রাকিব (২৮) এবং আউয়াল হোসেনের ছেলে মো. আল-আমিন (৪০)। তারা সম্পর্কে ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী চাচা।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর ওই নারীর শারীরিক পরিবর্তন পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। সন্দেহ হলে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক পরীক্ষা করানো হয়। পরবর্তীতে নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পরামর্শ দেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার লিমা আক্তার ও গাইনি কনসালট্যান্ট প্রীতিশ বিশ্বাস জানান, ওই নারী তলপেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে এলে প্রাথমিক চিকিৎসায় অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ধারণা করা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় প্রায় পাঁচ মাসের গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, আসামি শাহাদাত হোসেনের স্ত্রী বাড়িতে না থাকার সুযোগে হাঁস-মুরগি পরিচর্যার কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে প্রথম ধর্ষণ করেন। অন্য আরেক দিন আরেক আসামি রাকিব তাকে একটি মুরগির ফার্মে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া আসামি আল-আমিনও তাকে একইভাবে ধর্ষণ করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘মেয়েটি সহজ-সরল ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় ভালো-মন্দ ঠিকমতো বুঝতে পারে না। শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরীক্ষা করালে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি ধরা পড়ে। যাদের সে চাচা বলে জানত, তারাই এমন সর্বনাশ করেছে। আমরা আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে অভিযুক্ত শাহাদাত, রাকিব ও আল-আমিনের বাড়িতে গিয়ে তাদের পাওয়া যায়নি। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা আত্মগোপনে চলে যান বলে স্থানীয়রা জানান।

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার ও নারীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) জন্য পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মো. তরিকুল ইসলাম/এসজেডএইচ/এএসএম

Original Source
https://www.jagonews24.com/country/news/1157245
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World