ব্যবসায়ীকে হয়রানি করে অর্থ আদায়, সিএমপির দুই এএসআই ক্লোজড

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
জুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক ব্যবসায়ী ও তার বন্ধুর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ ১৮ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দুই এএসআইয়ের (সহকারী উপ-পরিদর্শক) বিরুদ্ধে। এরইমধ্যে অভিযোগ ওঠা সিএমপির ল’ফুল ইন্টারসেপ্টেড সেলের (এলআইসি)...

জুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক ব্যবসায়ী ও তার বন্ধুর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ ১৮ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দুই এএসআইয়ের (সহকারী উপ-পরিদর্শক) বিরুদ্ধে। এরইমধ্যে অভিযোগ ওঠা সিএমপির ল’ফুল ইন্টারসেপ্টেড সেলের (এলআইসি) এএসআই বাছির উদ্দিন এবং সিএমপি রেশন স্টোরের সুফিয়ানকে সাময়িকভাবে ক্লোজড করা হয়েছে।

একই ঘটনায় এলআইসির সহকারী কমিশনার (এসি) শরিফুল আলম সুজনকে প্রত্যাহার করে দামপাড়া পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি বলেন, এক যুবকের কাছ থেকে টাকা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি আদায়ের অভিযোগে দুই এএসআইকে ক্লোজড করে দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। আর এসিকে দামপাড়া পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে এসি শরিফুল আলমের নেতৃত্বে সাদা পোশাকের একদল পুলিশের বিরুদ্ধে নগরীর হালিশহরের কে ব্লকের একটি বাসা থেকে ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান শাকিল (২৭) ও তার বন্ধু মনসুর আলীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ তাদের দুজনকে একটি টয়োটা করোলা গাড়িসহ এলআইসি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

শাকিল নিজেকে খাতুনগঞ্জে পলিপ্রোপিলিন (পিপি দানা) ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেন। পাশাপাশি চট্টগ্রামের পটিয়ায় তার একটি কৃষি খামারও রয়েছে। তার বন্ধুর গাড়ির পার্টসের ব্যবসা আছে।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করে তল্লাশি চালায় এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি অন্য একটি ডিভাইসে স্থানান্তর করে।

শাকিল ও তার বন্ধু মনসুর জানান, শাকিলের ব্যক্তিগত ছবি ফাঁস করে দেওয়ার এবং তাদের জুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন এসি শরীফ ও এএসআই বাছির। তাদের আরও অভিযোগ, এসি শরিফুল ও তার সঙ্গে থাকা সদস্যরা শাকিলকে তার বাইন্যান্স অ্যাকাউন্ট থেকে তিন দফায় ১০ হাজার ৮৬৪ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা) নানা মাধ্যমে স্থানান্তর করতে বাধ্য করেন।

শাকিল অভিযোগ করেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে তিন কনস্টেবল তাকে সিএমপির কাছে একটি ব্যাংকের বুথে নিয়ে যান এবং পাঁচ দফায় ৪ লাখ টাকা তুলতে বাধ্য করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলআইসি কার্যালয়ে থাকা অবস্থায় একটি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের অ্যাকাউন্ট থেকেও ৮০ হাজার টাকা স্থানান্তর করা হয়।

দুই ভুক্তভোগী জানান, কর্মকর্তারা একটি সাদা কাগজে তাদের নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর লিখে নেন, তাদের সই নেন এবং তাদের ভিডিও ধারণ করার পর রাত ১২টার দিকে ছেড়ে দেন। পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর রাতে তাদের প্রাইভেটকার ফিরিয়ে দিয়ে আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

এমডিআইএইচ/এএমএ

Original Source
https://www.jagonews24.com/national/news/1157265
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World