নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
  নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ধারার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে শহুরে জনসংখ্যা ছিল ১০ শতাংশেরও কম। ফলে সে সময়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গ্রামীণ...

 

নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ধারার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে শহুরে জনসংখ্যা ছিল ১০ শতাংশেরও কম। ফলে সে সময়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ শহরে বাস করে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ হার ৫০ শতাংশে পৌঁছাবে। এ কারণে নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ধারায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরডাপ মিলনায়তনে সিএসও ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ‘টেকসই এসআরএইচআর ইকোসিস্টেম’ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, এতদিন নগর স্বাস্থ্যসেবা মূলত সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও এনজিওগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। ওই মডেলের নমনীয়তা ও ইতিবাচক দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে এখন সরকারের অধীনে একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে।

নগর স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ কাঠামো সম্পর্কে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর যৌথভাবে এ সেবা পরিচালনায় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

নতুন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকল্পনা তুলে ধরে ড. এম এ মুহিত বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান ৪০ হাজার কর্মীর সঙ্গে নতুন কর্মীদের একই কাঠামোর আওতায় এনে সমন্বিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি জানান, এসব ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং’ কর্মীর হাতে আধুনিক ডায়াগনস্টিক কিট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ডিজিটাল অ্যাপ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ দিতে পারবেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নগরের নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সান্ধ্যকালীন ক্লিনিক সেবা চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, নগরের ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের সেবা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট ওয়ার্ডভিত্তিক ক্যাচমেন্ট এরিয়া (৫০ হাজার থেকে ১ লাখ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি ইউনিট) নির্ধারণ করে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা বাস্তবায়নে দ্রুততার সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করার তাগিদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমেই এমন একটি জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যা আগামী ২০-৩০ বছর দেশকে সঠিক সেবা দিতে পারবে।

আইপাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং সিএসও ফোরামের আহ্বায়ক ডা. সায়েদ রুবাইয়েতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক জিনাত রেহানা।

এসইউজে/এমএএইচ/

Original Source
https://www.jagonews24.com/health/news/1157415
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World