এমপির ডিও লেটার তোয়াক্কা করেন না চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান!

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
মাধ্যমিক স্কুলের পরিচালনা কমিটি গঠনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটার (আধা সরকারিপত্র) উপেক্ষা করার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের বাঁশখালীর কয়েকটি উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনয়ন নিয়ে এ...

মাধ্যমিক স্কুলের পরিচালনা কমিটি গঠনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটার (আধা সরকারিপত্র) উপেক্ষা করার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি চট্টগ্রামের বাঁশখালীর কয়েকটি উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনয়ন নিয়ে একই আসনের (চট্টগ্রাম-১৬, বাঁশখালী) সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম পৃথক ডিও লেটারে যাদের সুপারিশ করেছিলেন, তাদের বাদ দিয়ে কমিটির সভাপতি অনুমোদন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বোর্ড চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

বোর্ড চেয়ারম্যানের এমন কর্মকাণ্ডকে ‘দায়িত্বহীন’ দাবি করে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম।

জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘বাঁশখালীর বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চবিদ্যালয়সহ কয়েকটি স্কুলের সভাপতি মনোনয়ন নিয়ে আমি সুপারিশসহ ডিও লেটার দিয়েছিলাম। যাদের জন্য ডিও লেটার দিয়েছি, তারা কোনো দলীয় লোক নন। কোনো দলের পদেও নেই। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নের স্বার্থে এ সুপারিশ করা হয়েছিল। তাছাড়া মন্ত্রণালয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। একসঙ্গে খাবারও খেয়েছি। তখন কমিটির সভাপতি অনুমোদনের বিষয়েও তার সঙ্গে কথা হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমে স্কুল থেকে অ্যাডহক কমিটির একটি প্যানেল জেলা প্রশাসনের কাছে সুপারিশের জন্য পাঠানো হয়। পরে জেলা প্রশাসনের সুপারিশের ভিত্তিতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিক্ষাবোর্ডে অনুমোদনের জন্য চিঠি দেন। কিন্তু জেলা প্রশাসনের সুপারিশও কর্ণপাত করেননি শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান। বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনয়ন তালিকায় ব্যাংকার বেলালুর রহমানের নাম এক নম্বরে ছিল। আমিও তার জন্য সুপারিশ করে ডিও লেটার দিয়েছিলাম। কিন্তু তালিকার দ্বিতীয় ব্যক্তিকে সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।’

জানা যায়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪-এর প্রবিধি ৭৪(২) অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য অ্যাডহক কমিটির সভাপতি অনুমোদনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক গত ২৫ জুন তিনজন সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগীর নাম প্রস্তাব করেন। তালিকায় প্রথমে ছিলেন ব্যাংকার বেলালুর রহমান, দ্বিতীয় অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন রশিদ এবং তৃতীয় স্থানীয় সমাজসেবক জাহিদ উদ্দিন চৌধুরী।

জেলা প্রশাসনের সুপারিশ করা ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করে অনুমোদনের জন্য ২৮ জুন শিক্ষাবোর্ডে চিঠি দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেম মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন। একই চিঠির পাশাপাশি তালিকায় প্রথমে থাকা বেলালুর রহমানকে সভাপতি করার সুপারিশ করে বোর্ড চেয়ারম্যানকে ডিও লেটার দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম।

তবে, সংসদ সদস্যের ওই ডিও লেটার উপেক্ষা করে তালিকার দ্বিতীয় ব্যক্তি অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন রশিদকে সভাপতি করে কমিটি অনুমোদন দেয় শিক্ষাবোর্ড।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিক্ষাবোর্ডে তার দপ্তরে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

এমডিআইএইচ/এমএএইচ/

Original Source
https://www.jagonews24.com/education/news/1157465
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World