ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুনসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হচ্ছে

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ (অব.), তার স্ত্রী নিগার সুলতানা ও শ্যালক শেখ আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদক প্রধ...

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ (অব.), তার স্ত্রী নিগার সুলতানা ও শ্যালক শেখ আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদক প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব মো. সাইদুর রহমান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, শেখ মামুন খালেদের নামে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮৩৭ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬৩ টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮২১ টাকা। সব মিলিয়ে তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার ৬৫৮ টাকা। এতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫ টাকা।

এ ঘটনায় দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান সচিব।

অনুমোদিত অপর একটি মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নিগার সুলতানার নামে ১ কোটি ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। তার গ্রহণযোগ্য আয় ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯১১ টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ৭৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৯ টাকা। ফলে সম্পদ অর্জনের জন্য তার সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪৯ লাখ ৭২ হাজার ৯৪২ টাকা। এর তুলনায় তার নামে ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে।

দুদকের অনুসন্ধানে নিগার সুলতানার আয়কর নথিতে মৎস্য চাষ থেকে দেখানো ৪০ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩০ টাকা আয় গ্রহণযোগ্য হয়নি। দুদকের বরিশাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের রেকর্ডপত্র যাচাই ও পরিদর্শন প্রতিবেদনে ওই আয়কে ভিত্তিহীন বলা হয়েছে। এছাড়া ২০২৩-২৪ করবর্ষে দেখানো ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৩৮২ টাকার আয়েরও বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে শেখ আমিনুর রহমানের নামে ১০ কোটি ৪২ লাখ ৯ হাজার ১২৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার গ্রহণযোগ্য আয় ৫ কোটি ৭৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭৮ টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ২ কোটি ৪২ লাখ ৪ হাজার ৬১৬ টাকা। ব্যয়সহ তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ২৭ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৩ টাকা। এর বিপরীতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৫ টাকা।

আমিনুর রহমানের আয়কর নথিতে মৎস্য চাষ থেকে ৬ কোটি ৮ লাখ ১৪ হাজার ৮৮৪ টাকা আয় দেখানো হয়েছিল। দুদকের অনুসন্ধানে ওই আয়ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া পূর্ববর্তী সঞ্চয় হিসেবে দেখানো ১ কোটি ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯০ টাকারও কোনো রেকর্ডপত্র পাওয়া যায়নি।

দুদক সচিব বলেন, শেখ মামুন খালেদ, নিগার সুলতানা ও শেখ আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ২৫ মার্চ রাতে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে গ্রেফতার হন শেখ মামুন খালেদ। পরে তাকে গুম-সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এসএম/একিউএফ

Original Source
https://www.jagonews24.com/national/news/1157493
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World