সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
  মরুভূমির বুক চিরে তেল পৌঁছে দিত যে পাইপলাইন, ড্রোন হামলার কারণে সেটিই এখন বন্ধ। এত দিন এ পাইপলাইন দিয়ে সৌদি আরবের তেল পৌঁছেছে লোহিত সাগরের বন্দরে। এখন দ্রুত পাইপলাইনটি চালু করা না গেলে কয়েক দিনের মধ্যেই রপ্তানির জন্য সৌদি আরবের তেলের মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তেল ব...

 

মরুভূমির বুক চিরে তেল পৌঁছে দিত যে পাইপলাইন, ড্রোন হামলার কারণে সেটিই এখন বন্ধ। এত দিন এ পাইপলাইন দিয়ে সৌদি আরবের তেল পৌঁছেছে লোহিত সাগরের বন্দরে। এখন দ্রুত পাইপলাইনটি চালু করা না গেলে কয়েক দিনের মধ্যেই রপ্তানির জন্য সৌদি আরবের তেলের মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তেল ব্যবসায়ীরা।

গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। ছবিতে স্টেশনটির একটি অংশ পুড়ে কালো হয়ে যেতে দেখা যায়।

গত শুক্রবার ড্রোন হামলার পর থেকেই পাইপলাইনটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে এবং এটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে সৌদি আরব এখনো বিস্তারিত জানায়নি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের জন্য এই পাইপলাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ছয় মাস ধরে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার কারণে তেল পরিবহনে এটিকে বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

এ পাইপলাইন দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া সম্ভব হতো। এ পরিমাণ বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় ৪ শতাংশ।

তবে, পাইপলাইনটি বন্ধ থাকায় ইয়ানবু বন্দরে থাকা তেলের মজুত দিয়ে আর মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিন রপ্তানি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সৌদি তেল রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্র।

মিসরের আইন সোখনা ও সিদি কেরির বন্দরেও সৌদি আরবের কিছু তেল মজুত রয়েছে। সেখান থেকেও কয়েকদিন রপ্তানি চালানো সম্ভব হবে। তবে, পাইপলাইনটি আবার চালু না হলে এসব মজুতও শেষ হয়ে যাবে।

গত শুক্রবারের হামলার জন্য ইরাক থেকে আসা ড্রোনকে দায়ী করেছে সৌদি আরব। তবে, সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতি এবং মেরামতের সময় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দুই সৌদি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাইপলাইনটি কয়েক সপ্তাহ ধরে বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকতে পারে। তবে, এটি কত দিনে পুরোপুরি চালু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে আরেকটি সূত্রের ধারণা, এর আগেই মেরামতের কাজ শেষ করা সম্ভব। একই সঙ্গে, মেরামতের কাজ চলার সময় পাইপলাইনের কিছু অংশ দিয়ে আংশিকভাবে তেল সরবরাহ শুরু করা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এমডিআরএইচ/

Original Source
https://www.jagonews24.com/international/news/1157502
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World