রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে যখন নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, তখন ফ্রান্সের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ফিনল্যান্ড। রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং ইউরোপের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ফ্রান্সের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। গত সো...

ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে যখন নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, তখন ফ্রান্সের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ফিনল্যান্ড। রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং ইউরোপের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ফ্রান্সের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

গত সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কিতে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা নতুন কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তি সই করেন। এর মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও বাড়ানোর পথে এগোল ফিনল্যান্ড।

একই দিনে দেশটি জানায়, তারা ফ্রান্সের ‘ফরওয়ার্ড ডিটারেন্স ইনিশিয়েটিভ’-এও যোগ দেবে।

এর ফলে ফ্রান্সের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার সহযোগিতার আওতায় থাকা ইউরোপীয় দেশের সংখ্যা বেড়ে ১১টিতে দাঁড়াল। ফিনল্যান্ড হলো এ উদ্যোগে যোগ দেওয়া দশম ইউরোপীয় দেশ। এর আগে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, পোল্যান্ড, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, গ্রিস, ডেনমার্ক ও নরওয়ে এ উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।

ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ইউরোপের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা।

এ সহযোগিতা বাস্তবায়নের জন্য আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দুই দেশ একটি পারমাণবিক বিষয়ক স্টিয়ারিং গ্রুপ গঠন করবে। এ গ্রুপই পারমাণবিক প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার কাজ করবে।

তবে, স্টাব স্পষ্ট করে বলেছেন, ফ্রান্সের এ উদ্যোগ ন্যাটোর পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিকল্প নয়। ফ্রান্সের সঙ্গে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সঙ্গে ব্যাপকভাবে আলোচনা করা হয়েছে জানান তিনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো ও ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিভিন্ন অবস্থান নেওয়ায় ইউরোপের দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে ভাবছে। রাশিয়ার কাছাকাছি থাকা পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহ আরও বেশি।

এদিকে, ফ্রান্সের সঙ্গে পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করছে এস্তোনিয়াও। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টেন মিচাল এএফপিকে বলেছেন, এস্তোনিয়া এখন ন্যাটোর পারমাণবিক নিরাপত্তার আওতায় রয়েছে।

পাশাপাশি, ফ্রান্সও সেখানে সেনা মোতায়েন করে সহযোগিতা করছে। তাই পারমাণবিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ থাকলে তা করা হতে পারে।

ফ্রান্সের উদ্যোগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শুধু ফরাসি প্রেসিডেন্টের হাতে থাকবে। ন্যাটোর ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। সেখানে সদস্যদেশগুলোর সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে, চুক্তিতে যুক্ত দেশগুলো যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেওয়া, প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম সামরিক সরঞ্জাম অল্প সময়ের জন্য মিত্রদেশের ভূখণ্ডে মোতায়েন এবং নিরাপত্তা নিয়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরামর্শ করার সুযোগ পাবে।

সূত্র: আল-জাজিরা
এমডিআরএইচ/

Original Source
https://www.jagonews24.com/international/news/1157565
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in Business