সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত
দেশে সরকার নিযুক্ত সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে। সব ধরনের সারে প্রতি কেজিতে এক টাকা কমিশন বাড়িয়ে করা হচ্ছে তিন টাকা।
তবে এই কমিশন এখন ঘোষণা হলেও তা চলতি অর্থবছরে কার্যকর হবে না। আগামী বছরের জুলাই থেকে নতুন হারে কমিশন পাবেন ডিলাররা। কৃষি উৎপাদনে সারের সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রেখে ডিলার পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমে উৎসাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাজেট অনুবিভাগ-১ থেকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, কৃষক পর্যায়ে সারের বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত থাকবে। তবে ডিলার পর্যায়ে কমিশন প্রতি কেজিতে তিন টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউরিয়া সারের ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিএপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ১৯ টাকা থেকে কমিয়ে ১৮ টাকা ও টিএসপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে এমওপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৭ টাকা করা হয়েছে। তবে সরকারি ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হওয়া এই চার ধরনের সারের কৃষক পর্যায়ে দাম বাড়ছে না।
দীর্ঘদিন ধরেই সার বিতরণ ব্যবস্থায় নিয়োজিত ডিলাররা তাদের কমিশন বাড়ানোর অনুরোধ করছিলেন। তাদের দাবি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন ব্যয়, শ্রমিকের ব্যয়সহ দোকান পরিচালনার খরচও বেড়েছে। যে কারণে ডিলারদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) পক্ষ থেকে ২০১৫ সাল থেকেই সরকারকে কমিশন বাড়ানোর অনুরোধ করা হচ্ছিল।
বিএফএ সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০০৮ সালে ডিলারদের কমিশন পুনঃনির্ধারণ করে দুই টাকা করা হয়। সেখান থেকে প্রায় দুই দশক পর এসে কমিশন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার।
এনএইচ/একিউএফ



