শীতের সকালে বোলিং, পেসার হান্ট থেকে উঠে আসার স্মৃতিচারণ এবাদতের

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
২০১৭ সালের পর দেশজুড়ে আবারও হতে যাচ্ছে বোলার হান্ট। এর আগে রবির পেস বোলিং হান্টে ২০১৬ সালে পুরো দেশে প্রথম হয়েছিলেন এবাদত হোসেন চৌধুরী। পরে জাতীয় দলের হয়ে নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশকে টেস্টও জিতিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার। মঙ্গলবার রবি ও বিসিবির উদ্যোগে আরেকটি পেসার হান্টের উদ্যোগে ওই সম...

২০১৭ সালের পর দেশজুড়ে আবারও হতে যাচ্ছে বোলার হান্ট। এর আগে রবির পেস বোলিং হান্টে ২০১৬ সালে পুরো দেশে প্রথম হয়েছিলেন এবাদত হোসেন চৌধুরী। পরে জাতীয় দলের হয়ে নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশকে টেস্টও জিতিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার। মঙ্গলবার রবি ও বিসিবির উদ্যোগে আরেকটি পেসার হান্টের উদ্যোগে ওই সময়ের স্মৃতিচারণা করলেন এবাদত। 

ওই পেসার হান্টে শীতের সকালে ফরিদপুর থেকে গিয়ে মাত্র তিন বল করার সুযোগ পেয়েছিলেন এবাদত। তবে ইমরান সারোয়ারের বাড়তি আস্থায় সেই সুযোগটাই হয়ে উঠেছিল ক্যারিয়ার বদলে দেওয়ার মুহূর্ত। ২০১৬ সালের রবি পেসার হান্টে প্রথম হয়ে সেখান থেকেই জাতীয় দলে জায়গা করে নেন এবাদত হোসেন।

সেই দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এবাদত বলেন, ‘৩টা বল করার সুযোগ ছিল। কিন্তু ইমরান স্যার আমাকে চিনতেন, এজন্য একটু বেশি সুযোগ দিয়েছিলেন। কারণ শীত ছিল, শরীর গরম হচ্ছিল না। আমার বোলিং স্পিড ছিল ১৩৩, পরে ফাইনালে ১৩৯ কিমি গতিতে বোলিং করেছিলাম।’

২০১৬ সালের সেই আয়োজনকে নিজের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখছেন এবাদত। তার ভাষায়, ‘প্রথমে ধন্যবাদ দিতে চাই রবি ও বিসিবিকে। ২০১৬ সালে এরকম একটা প্রোগ্রামে একটা সুযোগ দিয়েছিল, সেই সুবাদে আমি এবাদত স্টেজে দাঁড়িয়ে এবং বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছি।’

পেসার হান্টে অংশ নেওয়ার দিনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন এবাদত। তিনি বলেন, ‘ওই সময় খুবই নার্ভাস ছিলাম। শীতের সকাল ছিল। ফরিদপুর থেকে গিয়েছিলাম। ইমরান সারোয়ার স্যার বোলিংয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন। সেই সুবাদে জোরে বোলিং করেছি।’

সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২০১৬ সালের রবি পেসার হান্টে প্রথম হন এবাদত। পরে পেশাদার ক্রিকেটে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়েও প্রতিনিধিত্ব করেন এই পেসার। বাংলাদেশের হয়ে ২৫ টেস্টে ৪৫ উইকেট, ওয়ানডেতে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট ছাড়াও টি-টোয়েন্টিতে ৪ ম্যাচে নিয়েছেন ৭ উইকেট।

এবাদতের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে ম্যাচ সেরা হওয়া। ওই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে শিকার করেন ৬ উইকেট। 

এসকেডি/এমএমআর 

Original Source
https://www.jagonews24.com/sports/cricket/1157594
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World