স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার মামলায় স্ত্রীর ৭ বছরের সাজা

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
রাজধানীর বংশালে পারিবারিক বিরোধের জেরে কাঁচি দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার ঘটনায় করা মামলায় স্ত্রী মোছা. রুমা আক্তারকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাদীপক্ষের আইনজীবী আতাউর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরি...

রাজধানীর বংশালে পারিবারিক বিরোধের জেরে কাঁচি দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার ঘটনায় করা মামলায় স্ত্রী মোছা. রুমা আক্তারকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাদীপক্ষের আইনজীবী আতাউর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ রায় দেন।

আইনজীবী আতাউর রহমান জানান, কাঁচি দিয়ে আঘাত করার অপরাধে রুমাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। গুরুতর আঘাতের অপরাধে তাকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, দুই ধারায় দেওয়া সাজা একসঙ্গে চলবে। সে অনুযায়ী তাকে সর্বোচ্চ চার বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনে সিয়াম ও রুমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা রাজধানীর কসাইটুলী এলাকায় আলাদা বাসায় বসবাস করতেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাইরে থেকে খাবার খেয়ে বাসায় ফেরেন সিয়াম। বাইরে খেয়ে আসা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সিয়াম ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় রুমা কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গের একাংশ কেটে দেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় ধস্তাধস্তিতে সিয়ামের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলও রক্তাক্ত জখম হয়।

ঘটনার দিনই সিয়ামের বাবা বাদী হয়ে বংশাল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৫ মে রুমা আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন বংশাল থানার উপপরিদর্শক ফেরদৌস আলম।

পরে ১০ নভেম্বর রুমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে মামলার ১১ সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য নেন আদালত। আসামি রুমাও নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তার বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
 
এমডিএএ/কেএইচকে

Original Source
https://www.jagonews24.com/law-courts/news/1157658
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World