তরুণকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বারেরা বাজারে আলমগীর হোসেন নামে এক তরুণকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে। মারধরের পর বিষয়টি জানিয়ে ফেসবুকে লাইভে আসার সময়ও আলমগীরের ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
এ ঘটনার একটি ভিডিও মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে প্রাণনাশের আশঙ্কায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানিয়েছেন আলমগীর।
আলমগীর হোসেন জানান, তার বড় ভাই সুমন মিয়া তাদের বাবা সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নেন। এরই মধ্যে তাদের বাবা মারা যান। আলমগীর বিদেশে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি সম্পত্তির খারিজ বাতিলের জন্য চান্দিনার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে রিভিউ আবেদন করেন। এ নিয়ে তার ভাই ক্ষিপ্ত হন বলে জানান আলমগীর।
তার ভাষ্য, ভাইয়ের পক্ষ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় বারেরা বাজারে তাকে ডেকে নেন আবদুল মতিন মেম্বার। সেখানে কেন সম্পত্তির খারিজ বাতিলের আবেদন করেছেন এবং কার অনুমতি নিয়ে করেছেন-এসব জানতে চান আবদুল মতিন।
আলমগীর আরও জানান, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আবদুল মতিন মেম্বার, তার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও ভাই উজায়ের মিয়াসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালান। মারধরের পর তিনি ফেসবুকে লাইভে এসে ঘটনার কথা বলার সময় আবারও তার ওপর হামলা করা হয়। এ হামলার ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
তিনি বলেন, হামলার পরে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে রক্ষা পাই। এ সময় সহযোগিতার জন্য ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলেও চান্দিনা থানা পুলিশ তাকে সহযোগিতা করেনি। এ ঘটনায় কুমিল্লার আদালতে মামলা করা হবে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, তিনি মারামারি করে একটি ভিডিও গ্রুপে দিয়েছে। ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে আমাদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে। আমরা তাকে বলেছি- আপনি আহত হলে ডাক্তারের কাছে যান। এরপর থানায় এলে মামলা নেবো। এরপর তিনি আর যোগাযোগ করেননি।
জাহিদ পাটোয়ারী/এনএইচআর



