প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে রাবিতে চাকরি পেলেন দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থী শাকিল

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থী মো. শাকিল হোসেন। তিনি ২০১৯ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করে চাকরির আশায় বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছেন। বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় কয়েকবার উত্তীর্ণ হয়েও দৃষ্টিহীনতার কারণে তাকে ভাইভা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এবার প্রধানমন্ত্রী ...

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থী মো. শাকিল হোসেন। তিনি ২০১৯ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করে চাকরির আশায় বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছেন। বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় কয়েকবার উত্তীর্ণ হয়েও দৃষ্টিহীনতার কারণে তাকে ভাইভা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এবার প্রধানমন্ত্রী এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সহযোগিতায় তিনি চাকরি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এ. এইচ. এম. আসলাম হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে মো. শাকিল হোসেনকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্প অফিসে সেকশন অফিসার পদে অ্যাডহক ভিত্তিতে ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, শাকিলের চাকরির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনি তার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে রিজভী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে শাকিলের চাকরির ব্যবস্থা করেন।

শাকিল নওগাঁর একটি প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান। জন্ম থেকেই দৃষ্টিহীন হলেও মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করার পর চাকরি পাওয়াই তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করলেও দৃষ্টিহীনতার কারণে প্রত্যাশিত সুযোগ পাননি তিনি।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ছেলেটি বেশ কয়েক জায়গায় প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও ভাইভায় দৃষ্টিহীন হওয়ায় বাদ পড়েছে। এমন ঘটনা কয়েকবার ঘটেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী আছেন, যারা অত্যন্ত মেধাবী। আমি যতটা সম্ভব তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘শাকিলের মতো মেধাবী শিক্ষার্থীর কম্পিউটার দক্ষতা অবিশ্বাস্য। দৃষ্টিসম্পন্ন অনেক শিক্ষার্থীও তার মতো দ্রুত কাজ করতে পারবে না। আমি বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।’

উপাচার্য বলেন, ‘এছাড়াও জুলাইয়ে শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইয়ে আহত ব্যক্তিরা আমার কাছে বিশেষ গুরুত্ব পাবে।’

মিরাজ হোসেন/কেজে/এএসএম

Original Source
https://www.jagonews24.com/campus/news/1157790
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World