প্রেমের স্টেশনে আটকে আছি
বিপুল চন্দ্র রায়
উসকো খুসকো চুলে জমে আছে শ্রাবণ-মেঘের আলস্য,
মাতাল হাওয়ায় ভেসে আসে অচেনা বুনো ফুলের সুবাস।
মায়াবী রূপের ঘোরে আর চুলের মাতাল করা ঘ্রাণে
হাত বাড়িয়ে ছুঁতে গেলেই কেমনে জানি গুলিয়ে যায়
নদী আর আকাশ।
একদিন
তোমার ওই খোঁপায় একটা কাঠগোলাপ গুঁজে দেওয়ার বাহানায়
আমি সারাজীবন পাগলপ্রায়!
আজকাল
মাতাল দুপুর কিংবা সন্ধ্যায়
আরতির ছলে জপি প্রেম-মন্ত্র,
অথচ
জোছনা রাতে অদ্ভুত ঘোর লাগা শূন্যতায় টেনে নিয়ে যায়
কোনো এক ছন্নছাড়া একগুচ্ছ পদ্য লিখতে,
যেখানে বুকের ভেতর অজস্র অচেনা পঙ্ক্তিমালা ছন্দ ভুলেছে।
তবুও
আজ লিখে রাখলাম এক ফালি অপূর্ণ গান,
যেখানে প্রেমের স্টেশনে আজও আমি একলা পাহারায়,
কবিতার মতো ভালোবেসে যাওয়ার অদ্ভুত এক নেশায়।
সত্যি! অবশেষে
তোমার পথের শেষ প্রান্তরে দাঁড়িয়ে কাটাব আরও একটি শ্রাবণ,
যেখানে জলছবির বুকে ভেসে থাকা চেনা অস্পষ্ট ছায়ায়
আমি রয়ে যাব এক চিরন্তন কবিতার শেষ অসমাপ্ত পঙ্ক্তি হয়ে।
কেএসকে

