জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল জীবনের সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল জীবনের সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়। পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না করলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। চেষ্টা, কর্মদক্ষতা, নৈতিকতা ও নিজেকে গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই জীবনে সফল হওয়া সম্ভব। বুধবার (১৬ সেপ...

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল জীবনের সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়। পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না করলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। চেষ্টা, কর্মদক্ষতা, নৈতিকতা ও নিজেকে গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই জীবনে সফল হওয়া সম্ভব।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আতাতুর্ক সরকারি মডেল হাইস্কুল মিজান মিলনায়তনের এ অনুষ্ঠানে ফেনী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ফলাফলের দিকে তাকালে হবে না। তাদের সমাজের সঙ্গে কীভাবে চলতে হয়, মানুষের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় এবং ভবিষ্যৎ জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয় এসব শিক্ষাও প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সন্তানের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অভিভাবকদের। পাশাপাশি শিক্ষকদেরও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের উপযোগী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

নিজের শিক্ষাজীবনের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধান অতিথি বলেন, তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বিভাগে পাস করেছেন। এমনকি পরবর্তী শিক্ষাজীবনেও তার ফলাফল সবসময় ভালো ছিল না। কিন্তু কখনো হাল ছাড়েননি। পরে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি ভালো ফল অর্জন করেছেন। তাই যারা ভালো ফল করতে পারেনি, তাদের হতাশ না হয়ে নতুন করে চেষ্টা করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরে মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে। নতুন প্রযুক্তি সমাজ, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষাক্রম, শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ করতে হবে এবং ক্ষতিকর দিক থেকে নিজেদের দূরে রাখতে হবে। সমাজ ও প্রযুক্তি যতই পরিবর্তিত হোক, সন্তানকে নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলিতে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মা-বাবার দায়িত্ব কখনো শেষ হবে না।

প্রধান অতিথি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী আশানুরূপ ফল করতে পারেনি, তাদের প্রতিও সম্মান জানিয়ে বলেন, একটি পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায় না। আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও কর্মদক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীই ভবিষ্যতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফী উল্লাহ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীদুল ইসলাম। সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিদুল আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬০ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/কেজে/এএসএম

Original Source
https://www.jagonews24.com/country/news/1157916
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World