ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির স্থানীয় বিল ২৭০ দিন পর ওভারডিউ
ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের (এলসি) আওতায় স্থানীয় সরবরাহের বিল ২৭০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে সেটিকে ওভারডিউ বা মেয়াদোত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য করতে হবে। একই সময়সীমা অনুসরণ করতে হবে যোগ্য উৎপাদনকারীদের বাল্ক আমদানির বিপরীতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) অর্থায়নের ক্ষেত্রেও।
এ বিষয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ (এফইপিডি-১)। এতে দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংককে নতুন নির্দেশনা পরিপালনের জন্য বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, গত ২৩ জুলাই জারি করা সার্কুলারের ০৪(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ডিডেমড এক্সপোর্টারদের ইডিএফ ঋণের আবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানোর আগে তাদের কোনো ওভারডিউ বা মেয়াদোত্তীর্ণ দায় রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হয়।
অন্যদিকে, গত ১৩ আগস্ট জারি করা সার্কুলারের পার্ট-জি-এর ২(ঘ) অনুচ্ছেদে সর্বোচ্চ ২৭০ দিনের ইউজেন্সে ব্যাক-টু-ব্যাক আমদানি এলসি খোলার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এই দুই নির্দেশনার মধ্যে সামঞ্জস্য আনতেই স্থানীয় সরবরাহের বিলের ক্ষেত্রে ২৭০ দিনের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থাৎ ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির বিপরীতে স্থানীয় সরবরাহের কোনো বিল ২৭০ দিনের বেশি সময় অনিষ্পন্ন থাকলে তা ওভারডিউ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, যোগ্য উৎপাদনকারীদের বাল্ক আমদানির বিপরীতে ইডিএফ অর্থায়ন দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির স্থানীয় সরবরাহের বিল ২৭০ দিনের বেশি সময় ধরে বকেয়া রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে এডি ব্যাংকগুলোকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনার ফলে ইডিএফ ঋণের আবেদন যাচাইয়ের সময় ডিডেমড এক্সপোর্টারদের স্থানীয় সরবরাহের বিলের বকেয়া পরিস্থিতি আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা যাবে। একই সঙ্গে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির ইউজেন্স এবং ওভারডিউ নির্ধারণে একটি অভিন্ন সময়সীমা কার্যকর হবে।
তবে ইডিএফ ঋণ পরিচালনা-সংক্রান্ত আগের অন্যান্য নির্দেশনায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। গত ২৩ জুলাই জারি করা সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনাও অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন নির্দেশনার বিষয়টি নিজ নিজ গ্রাহকদের অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইএআর/এমএমকে
