বলের পরিবর্তনে জাতীয় লিগে রান বেশি হবে, প্রত্যাশা ক্রিকেটারদের

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) সর্বশেষ কয়েক মৌসুমে ব্যবহৃত হয়েছে ডিউক বল। এবার আবারও কোকাবুরা বলে ফিরছে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট। বল পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাটিং, পেস ও স্পিন- তিন বিভাগেই পড়বে বলে মনে করছেন ক্রিকেটাররা। তবে কোকাবুরা বলে তুলনামূলক বেশি রান হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন তার...

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) সর্বশেষ কয়েক মৌসুমে ব্যবহৃত হয়েছে ডিউক বল। এবার আবারও কোকাবুরা বলে ফিরছে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট। বল পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাটিং, পেস ও স্পিন- তিন বিভাগেই পড়বে বলে মনে করছেন ক্রিকেটাররা। তবে কোকাবুরা বলে তুলনামূলক বেশি রান হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন তারা।

চট্টগ্রাম অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বির মতে, ডিউক বলে পেসাররা বেশি সহায়তা পাওয়ায় ব্যাটারদের কিছুটা টেকনিক্যাল পরিবর্তন আনতে হয়েছিল। কোকাবুরা বল অবশ্য ছোটবেলা থেকেই খেলে আসায় সেটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া তুলনামূলক সহজ হবে।

তিনি বলেন, ‘ডিউক বলে বোলাররা একটু বেশি সাপোর্ট পেত। বলটা বেশি সুইং করত। ওই কারণে কিছু টেকনিক্যাল পরিবর্তন করতে হয়েছিল। কিন্তু কোকাবুরা বলের সঙ্গে আমরা ছোটবেলা থেকেই অভ্যস্ত। আমার কাছে মনে হয় কোকাবুরা বলে ব্যাটসম্যানদের জন্য একটু সহজ। পেসারদের জন্য সুইং করানো তুলনামূলক কঠিন। তবে কোকাবুরা বলে স্পিনাররা পেসারদের চেয়ে বেশি সাপোর্ট পায়। এটা ব্যাটসম্যানদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ।’

তবে বল যে ধরনেরই হোক, নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে করার বিকল্প নেই বলেও মনে করেন ইয়াসির। তার ভাষায়, ‘দিন শেষে আমাদের রান করতে হবে, বোলারদের উইকেট নিতে হবে।’

রংপুরের উইকেটকিপার-ব্যাটার আকবর আলীও মনে করেন, ডিউক বল ব্যাটারদের জন্য কঠিন পরীক্ষা ছিল। দীর্ঘ সময় সুইং করায় গত কয়েক বছরে ব্যাটারদেরও নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হয়েছে। কোকাবুরার সঙ্গে অবশ্য ক্রিকেটাররা আগে থেকেই পরিচিত।

তার মতে, বল বদলালেও চ্যালেঞ্জ পুরোপুরি কমছে না। কারণ কোকাবুরা বলের সঙ্গেও বোলাররা নিজেদের কৌশল মানিয়ে নিচ্ছেন। বিশেষ করে পেসাররা নতুন বলে কীভাবে থ্রো-ডেলিভারি ও অন্যান্য বৈচিত্র্য ব্যবহার করা যায়, সেটি নিয়ে কাজ করছেন। স্পিনারদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করেন আকবর।

তবে ব্যক্তিগতভাবে কোকাবুরা বলে ডিউকের তুলনায় বেশি রান করার প্রত্যাশা করছেন আকবর। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করবো, এটা পরিবর্তন আনবে, রান আনবে আরও। তবে গত দুই-তিন বছরে কোকাবুরার সিমটা একটু খাড়া করে দেওয়া হয়েছে। বোলাররা এটার সঙ্গে খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিচ্ছে। ফলে বোলারদের জন্যও একটা সমতার জায়গা তৈরি হয়েছে। চ্যালেঞ্জ অবশ্যই থাকবে, তবে ডিউকের তুলনায় রান একটু বেশি হবে বলে আশা করছি।’

অন্যদিকে ময়মনসিংহের স্পিনার ও অধিনায়ক রাকিবুল হাসান বল পরিবর্তনকে স্পিনারদের জন্য বড় কোনো পার্থক্য হিসেবে দেখছেন না। তার অভিজ্ঞতায় ডিউক ও কোকাবুরা- দুই বলেই স্পিনারদের জন্য পরিস্থিতি প্রায় একই।

রাকিবুলের মতে, বাংলাদেশের উইকেটে স্পিনারদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত দীর্ঘ সময় এক জায়গায় নির্ভুলভাবে বোলিং করা। বলের পার্থক্যের চেয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণ ও একুরেসির ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় কোকাবুরা বা ডিউক বল স্পিনারদের জন্য খুব একটা পার্থক্য নেই। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা একই মনে হয়। একজন স্পিনারের মূল টার্গেট থাকে ম্যাচে কীভাবে এক জায়গায় বেশিক্ষণ বোলিং করা যায়। বাংলাদেশের উইকেটে উইকেট পাওয়া খুব কঠিন। তাই বলের পার্থক্যের চেয়ে নিজের একুরেসির দিকে স্পিনারদের বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত।’

এসকেডি/আইএইচএস

Original Source
https://www.jagonews24.com/sports/cricket/1157971
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World